'ওয়াগ্যোয়ে পোয়েহ্': রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রবারণা উৎসব

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১১

গামী ১২ অক্টোবর, বুধবার শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা (রাখাইন ভাষায় 'ওয়াগ্যোয়ে লাব্রে')। প্রবারণা পূর্ণিমা বা 'ওয়াগ্যোয়ে লাব্রে' উপলক্ষ্যে যে উৎসব হয় তাকে রাখাইনরা বলে 'ওয়াগ্যোয়ে পোয়েহ্'। এটি রাখাইনদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। 'ওয়া' শব্দের অর্থ হচ্ছে বর্ষাবাস আর 'গ্যোয়ে' বা 'ক্যোয়ে' শব্দের অর্থ পরিসমাপ্তি। অর্থাৎ 'ওয়াগ্যোয়ে'-এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে 'ফুংগ্রী' বা বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসব্যাপী বর্ষাব্রত পালনের পরিসমাপ্তি। আষাঢ়ি পূর্ণিমার ('ওয়াছো লাব্রে') পরদিন বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসব্যাপী 'ওয়া' বা বর্ষাব্রত পালন শুরু হয়। আর প্রবারণা তথা আশ্বিনি পূর্ণিমার ('ওয়াগ্যোয়ে লাব্রে') দিন তা শেষ হয়।

এখানে উল্লেখ্য, বুদ্ধপূর্ণিমা তথা বৈশাখি পূর্ণিমার ('কাছুং লাব্রে') মতো আষাঢ়ি পূর্ণিমাও তথাগত বুদ্ধের ত্রিস্মৃতি বিজড়িত। আষাঢ়ি পূর্ণিমার দিনেই রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতমের মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ, ঊনত্রিশ বছর বয়সে গৃহত্যাগ এবং বুদ্ধত্ব লাভের পর ধর্মচক্র প্রবর্তন সংঘটিত হয়েছিল। এ জন্য প্রত্যেক বৌদ্ধের কাছে আষাঢ়ি পূর্ণিমা তিথিটি বিশেষ স্মরণীয়।

রাখাইনরা আজ থেকে 'ওয়াগ্যোয়ে পোয়েহ্' উদযাপন করছে। এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবটি সাধারণত পূর্ণিমা তিথি থেকে কৃষ্ঞপক্ষের চতুর্থী পর্যন্ত মোট পাঁচদিন (এলাকাবিশেষে তিনদিন) স্থায়ী হয়। উৎসবের প্রথম দিন (পূর্ণিমার দিন) রাখাইন তরুণ-তরুণীরা নতুন জামাকাপড় পরে 'কেয়াং' বা বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে পুষ্পপূজা (বিশেষ করে শাপলা ফুল) করে থাকে। এই পুষ্পপূজা বা ফুল উৎসর্গ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় পূর্ণিমার দিন খুব ভোরে। সেদিন ভগবান বুদ্ধকে উদ্দেশ্য করে (বুদ্ধমূর্তির সামনে) বিভিন্ন ধরনের পিঠা-পায়েসও উৎসর্গ করা হয়। এখানে উল্লেখ্য, পূর্ণিমার দিন খুব ভোরে রাখাইনদের ঘরে-ঘরে হরেক রকম পিঠা-পায়েস বানানো হয়। তৈরি করা পিঠার প্রথমাংশ অর্থাৎ অগ্রভাগ বুদ্ধের উদ্দেশে উৎসর্গ করার পর অবশিষ্টাংশ দিয়ে প্রতিবেশীদের আপ্যায়ন করা হয় কিংবা তাদের (প্রতিবেশীদের) ঘরে-ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

পূর্ণিমার দিন সন্ধ্যা থেকে (এলাকাবিশেষে বিকাল থেকে) রাত অবধি 'ঔপোগো' (জল দেবতা)-এর উদ্দেশে বাঁশ ও রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি বৃহদাকার 'রিছিমিং'/'বগোহ্' (কল্পমন্দির) ভাসানো হয় নদী বা খালে। ওই কল্পমন্দিরে প্রতিঘাটে অপেক্ষমান নারী-পুরুষ সবাই মোমবাতি জ্বেলে জল দেবতাকে প্রণাম জ্ঞাপন করে। এ সময় কল্পমন্দির ভাসিয়ে নিয়ে আসা তরুণদল নৌকায় বসে গান-বাজনা করে। কল্পমন্দিরের সংখ্যা একাধিক হলে অংশগ্রহণকারী পক্ষগুলো 'ছেঙ্গ্যাই' (এক প্রকার স্লোগান, যা তরুণদল নেচে-নেচে গেয়ে থাকে)-এর মাধ্যমে স্বীয় পক্ষের কল্পমন্দিরের শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে থাকে। এ সময় এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষকে ব্যঙ্গ করেও 'ছেঙ্গ্যাই' গাওয়া হয়। ইদানীং কল্পমন্দির ভাসানোর সময় সজীব গান-বাজনা বা 'ছেঙ্গ্যাই-এর পরিবর্তে রেকর্ড করা রাখাইন 'রোঃরা সাখ্রাং' বা লোকসংগীত মাইকে বাজাতে শোনা যায়। কল্পমন্দির ভাসানোর দৃশ্য উপভোগ করার জন্য রাখাইনদের পাশাপাশি ভিন্ন সম্প্রদায় এবং ধর্মের লোকেরাও কক্সবাজার জেলার রাখাইন অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় (বিশেষ করে চকরিয়ার হারবাং রাখাইন পাড়া, মহেশখালির গোরকঘাটা এবং রামু) ভিড় জমায়।

পাঠক, ইচ্ছা করলে আপনিও চলে আসতে পারেন চকরিয়ার হারবাঙে কিংবা রামুতে এবং দেখতে পারেন আজকের অনুষ্ঠান। প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী বন্ধুরাও রাখাইন সম্প্রদায়ের এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান কাভার করতে পারেন উল্লিখিত স্পটে এসে কক্সবাজার পৌরবাসী রাখাইনরা কল্পমন্দির ভাসায় না। তারা প্যাগোডা বা চৈত্য-প্রাঙ্গণে বাঁশ ও রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী মণ্ডপে বুদ্ধমূর্তি স্থাপন পূর্বক প্রদীপ পূজা বা বুদ্ধপূজা করে। এ সময় তরুণ-তরুণীরা (সাধারণত সাংগঠনিকভাবে) গৃহী পূজারিদের কোমল পানীয় দিয়ে আপ্যায়ন করে।

প্রবারণা পূর্ণিমার রাতে বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে ফানুস বা আকাশ প্রদীপ (রাখাইন ভাষায় 'মিলুং' বা 'হ্মেয়িং') ওড়ানো হয়। রঙিন ফানুস বা আকাশ প্রদীপ ওড়ানোর অর্থ হচ্ছে ভাবী বুদ্ধ কুমার সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগের পর চুল কাটার ঘটনাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা। সেদিন রাতে বৌদ্ধ বিহার, সীমাঘর এবং চৈত্য বা প্যাগোডাগুলোয় মোমবাতি বা বিজলি বাতি জ্বেলে আলোকসজ্জা করা হয়।

'ওয়াগ্যোয়ে' উৎসবের অন্যান্য দিনে ধর্মীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রার উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকার বাভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে পিণ্ড বা অর্ঘ্য দান করা। শোভাযাত্রার শেষে নিজেদের সমাজের 'কেয়াং' বা বৌদ্ধ বিহারে সমবেত হয়ে সবাই পঞ্চশীল গ্রহণ করে। প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে পরবর্তী পূর্ণিমা অর্থাৎ কার্তিকি পূর্ণিমা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বৌদ্ধ গ্রামে 'কাথিং পোয়েহ্' (দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব) উদযাপিত হয়ে থাকে। এই 'ওয়াগ্যোয়ে পোয়েহ্'-র আবেদন রাখাইনদের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সবদিক দিয়ে বিবেচনা করলে 'ওয়াগ্যোয়ে' একটি তাৎপর্যপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব।

[রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব 'ওয়াগ্যোয়ে পোয়েহ্' নিয়ে আমার লেখা একাধিক সচিত্র ফিচার ইতিপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। তার মধ্য থেকে 'ভোরের কাগজ'-এ (৫ অক্টোবর ১৯৯৮, সোমবার) প্রকাশিত লেখাটি কিঞ্চিৎ (দিন-তারিখ) পরিবর্তন করে এখানে দিলাম।]
বিস্তারিত পড়ুন

'মহা কাথিং পোয়েহ' তথা দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব

শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১০


থাগত বুদ্ধের মতে এ জগতে সুখের চেয়ে দুঃখই বেশি। বৌদ্ধদর্শন মতে অবিদ্যাই দুঃখের মূল কারণ। অবিদ্যা বা অজ্ঞতা বলতে সত্য সম্পর্কে অজ্ঞতা বোঝায়। এই অজ্ঞতার কারণে পৃথিবীতে মানুষ বার-বার জন্মগ্রহণ করে এবং দুঃখ ভোগ করে। বৌদ্ধ ধর্ম মতে এটা মানুষের কৃতকর্মের ফল।

কর্মবাদ হল শর্তাধীন সৃষ্টিবাদের প্রকাশ। মহামতি বুদ্ধ বলেছেন, ভালো কর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে পুণ্য বা 'পারমী' অর্জন করতে হবে এবং সমুদয় 'পারমী' অর্জিত হলেই নির্বাণলাভ সম্ভব। এ নির্বাণই হচ্ছে দুঃখ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বা পথ। নির্বাণ কিন্তু মৃত্যু নয়, মৃত্যুতে দুঃখের নিবৃত্ত হয় না। দুঃখ থেকে মুক্তির জন্য নিরন্তরভাবে মানুষের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 'পারমী' পূরণ বা অর্জন করা এ প্রচেষ্টারই অংশ। দশটি 'পারমী'র মধ্যে দান 'পারমী'ই শ্রেষ্ঠ।
বৌদ্ধ সাহিত্যে দানের একটি স্বরূপ আমরা লক্ষ করি 'ওয়েসেংদ্রা' জাতকে। গৌতম বুদ্ধত্ব লাভের আগে 'পারমী' পূরণ করতে-করতে পাঁচশো পঞ্চাশ (৫৫০) বার ইহজগতে জন্মগ্রহণ করেন বিভিন্ন প্রাণী রূপে। 'ওয়েসেংদ্রা' জাতক পর্যায়ে তিনি 'রাজা বেসন্তর' রূপে জন্মগ্রহণ করেন। দানশীল রাজা হিসাবে জীবনের সর্বস্ব দান করে রিক্তহস্তে বনবাসে যাওয়ার আগে তিনি প্রিয় দু'সন্তান 'গনা' ও 'জালী'কে 'যুজগা পুংন্নাহ' (যোজন ব্রাহ্মণ)-এর কাছে দান করেছিলেন। 'রাজা বেসন্তর' পরবর্তী জন্মে রাজপুত্র 'সিদ্ধার্থ গৌতম' রূপে জন্ম লাভ করেন এবং ঊনত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ বছর পর্যন্ত টানা ছ'বছর কঠোর সাধনার পর বুদ্ধত্ব লাভ করেন।

কথিত আছে, তথাগত বুদ্ধ এক প্রবারণা পূর্ণিমার প্রক্কালে 'সাওয়েথি' (শ্রাবস্তী) তে অবস্থান করছিলেন। তখন মহৌপাসিকা 'ওয়িসাংখা' (বিশাখা) বুদ্ধের কাছে জানতে চান যে, পৃথিবীতে যতোরকমের দানকর্ম প্রচলিত আছে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দানকর্ম কোনটি। বুদ্ধ জানালেন, কঠিন চীবর দানই শ্রেষ্ঠ দান অর্থাৎ মহাদান। এই দানের মাধ্যমে একজন 'পারমী'পূর্ণ মহিলা পরজন্মে পুরুষ রূপে জন্ম লাভ করতে পারে। বুদ্ধের কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিশাখা চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা কেটে, রং করে, কাপড় বুনে এবং চীবর সেলাই করে ভিক্ষু সংঘকে দান করেছিলেন।
এ দিকে বাংলাদেশি বৌদ্ধদের কাছে কঠিন চীবর দানের পটভূমি সম্বন্ধে যে বিবরণ পাওয়া যায় তা এ রকম : তথাগত বুদ্ধ 'সাওয়েথি' (শ্রাবস্তী)-তে অবস্থানকালে ত্রিশজন পাবেয্যবাসী ভিক্ষু বর্ষাবাস শেষে বুদ্ধ দর্শনের জন্য সেখানে এসে পৌঁছান। বর্ষাবাসের তিনমাস একটানা ব্যবহারের ফলে ভিক্ষুদের পরিধেয় বস্ত্র অর্থাৎ চীবর তখন একেবারে জীর্ণ হয়ে পড়ে। কথিত আছে, মহৌপাসিকা 'ওয়িসাংখা' (বিশাখা)-র জনৈক পরিচারিকা আহারের জন্য ওই ভিক্ষুদের আহ্বান করতে বিহারে গেলে তাঁদেরকে নগ্নগায়ে স্নানরত দেখতে পায়। বিষয়টি মহৌপাসিকা বিশাখাকে জানানো হলে তিনি স্বয়ং বুদ্ধের কাছে গিয়ে ভিক্ষুদের পরিধেয় বস্ত্রের শোচনীয় জীর্ণদশার কথা জানান। তখন বিশাখা বুদ্ধের উপদেশ অনুযায়ী এক অহোরাত্রির মধ্যেই বিপুল অর্থ ব্যয়ে যথেষ্ট সংখ্যক চীবর প্রস্তুত করে ভিক্ষুদের দান করেন।

কঠিন চীবর দান করা হয় বছরে একবার। প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে পরবর্তী পূর্ণিমা অর্থাৎ কার্তিকি পূর্ণিমা (আগামী ২১ নভেম্বর ২০১০, রবিবার কার্তিকি পূর্ণিমা) পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বৌদ্ধ গ্রামে 'মহা কাথিং পোয়েহ' (দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব) উদযাপিত হয়ে থাকে। থেরবাদী বৌদ্ধদের কাছে কঠিন চীবর দানই সর্বোত্তম দান। প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে বুদ্ধ-শিষ্যা মহৌপাসিকা বিশাখা প্রবর্তিত এই দানোত্তম উৎসবকে উপমহাদেশের বৌদ্ধরা জাঁকজমকভাবে উদযাপন করে থাকে। এখানে উল্লেখ্য, যে বৌদ্ধ বিহারে বর্ষাব্রত পালন করা হয়নি সেই বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হতে পারে না।

বুদ্ধের সময় ভিক্ষুরা শ্মশানে বা পথে-প্রান্তরে ফেলে দেওয়া পুরনো কাপড় সংগ্রহ ও সেলাই করে পরতেন। বর্তমানে ভিক্ষুরা বিশেষভাবে সেলাই করা গৌরিক বস্ত্র (চীবর) পরে থাকেন। ভিক্ষুরা এক সঙ্গে তিনটি মাত্র চীবর পরতে পারেন। চীবরগুলো হল : অন্তর্বাস বা পরিধেয় বস্ত্র, উত্তরাসঙ্গ বা বহির্বাস এবং সংঘাটি বা দোয়াজিক। রাখাইন ভাষায় এই তিনটি চীবরকে বলা হয় যথাক্রমে 'সাংবাইং', 'সাংঘেং' এবং 'ধূগউ' বা 'কোদাং'। এই তিনটি চীবরের যে-কোনো একটি বা একাধিক দ্বারা কঠিন চীবর দান করতে হয়। 'কঠিন চীবর' নামের তাৎপর্য হচ্ছে, চীবর তৈরি করা অর্থাৎ তুলা থেকে সুতা কাটা, কাপড় বোনা, নির্দিষ্ট নিয়মে কাপড় কেটে বিশেষভাবে সেলাই করা, রং করা ইত্যাদি কাজ চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ অরুণোদয় থেকে পরদিন অরুণোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যেই সমাপন করা। মোট কথা, কঠিন নিয়ম অনুসরণ করে চীবরটি প্রস্তুত করতে হয় বলে এর নাম 'কঠিন চীবর' ('কাথিং সাংঘেং')।

আমাদের দেশে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা সদরের রাজবাড়িস্থ রাজবন বিহারে বিশাখা প্রবর্তিত নিয়মে কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হয়ে থাকে। রাঙামাটির রাজবন বিহার ছাড়া দেশের বৌদ্ধ অধ্যুষিত অন্যান্য এলাকায় সাধারণত পূর্বে প্রস্তুত চীবর দিয়ে কিংবা তৈরি করা চীবর কিনে কঠিন চীবর দান করা হয়ে থাকে। এই চীবরগুলো সাধারণত মিয়ানমার থেকে আসে।
বিস্তারিত পড়ুন

পাহাড়িরা কি এভাবে উচ্ছেদ হতেই থাকবে?

সোমবার, ১১ অক্টোবর, ২০১০



বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ২৯৬ নম্বর নাইক্ষ্যং মৌজার ম্রো সম্প্রদায়ের লোকজন এখন ভালো নেই। বংশ পরম্পরায় যে-ভূমিতে তাদের চাষ-বাস সেখান থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। বর্তমান শাসক দলের স্থানীয় কতিপয় নেতা-কর্মী (উল্লেখ্য, তারা সবাই বাঙালি) ম্রোদের ভোগদখলে থাকা জমি জবরদখল করে নিচ্ছে বলে গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ম্রো সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চুমপং হেডম্যান তাঁর লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ২৯৬ নম্বর নাইক্ষ্যং মৌজার ৯০ শতাংশ ভূমি সরকারি তৌজিতে খাস। ইউনিয়ন সদর থেকে অনেক দূরে গহিন পাহাড়ে ম্রো পল্লি। ম্রো সম্প্রদায়ের ২১৯ পরিবার প্রায় ১ হাজার ১০০ একর পাহাড়ি জমিতে বংশ পরম্পরায় জুম চাষসহ বিভিন্ন ফলজ-বনজ বাগান সৃজন করে ভোগ দখল করে আসছে। ম্রোরা শিক্ষায় পিছিয়ে, তাই ভূমির কাগজপত্র তৈরির নিয়ম-কানুন তাদের জানা নেই।

চুমপং হেডম্যান লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করেন, জবর জবরদখলকারীরা ইতিমধ্যে ৪৫ ম্রো পরিবারকে উচ্ছেদ করেছে। অবশিষ্ট ১৭৪ পরিবারও উচ্ছেদ হওয়ার পথে। ভূমিদস্যুরা ম্রো সম্প্রদায়ের ভোগদখলে থাকা ভূমি রাতারাতি জবরদখল করে সেখানে বাড়িঘর তৈরি পূর্বক বাগান দখল করছে। জবরদখলে বাধা দেওয়ায় ম্রোদের গৃহপালিত গরু-ছাগল দা দিয়ে এলোপাতাড়ি জখম করে জুম চাষসহ বাগান সৃজনের কাজে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

ভূমিদস্যুদের জবরদখলের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ প্রধানমন্ত্রীর দফ্তরেও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ম্রোরা জানান।
বিস্তারিত পড়ুন

မ်ဳိးရုိးအဆက္ဆက္ ကုိးကြယ္လာခဲ႔ေသာ မဟာမုနိ

রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০

ေဂါတမဗုဒၶ သက္ေတာ္ထင္ရွားရွိစဥ္ စစ္မွန္ေသာ ဗုဒၶ၏ကုိယ္ပြားသာလွ်င္ ျဖစ္တန္ရာ၏ဟု ရခုိင္လူမ်ဳိးမ်ား အယုံအႀကည္ရွိေသာ မဟာမုနိရုပ္ရွင္ေတာ္ျမတ္ႀကီးသည္ ရခုိင္လူမ်ဳိးတုိ႔သမုိင္း မွတ္တမ္းအားလုံး၏ ကုိးကားခ်က္ျဖစ္သည္။ ထုိသမုိင္းမွတ္တမ္းမ်ားသည္ ေထရ၀ါဒဗုဒၶဘာသာရွိခဲ႔ျပီးေနာက္ မ်က္ေမွာက္ထုံးတမ္းစဥ္မ်ားကုိ ထည့္သြင္းထားရွိသည္။ သီရိလကၤာ၏ ပါဠိစာေပမွ က်ယ္က်ယ္ျပန္႔ျပန္႔ ဆင္းသက္ႀကီးထြားလာမွဳရွိျပီး ပုဂံ၏ လႊမ္းမုိးမွဳေအာက္မွာ ကုိးကြယ္မွဳ ဘာသာအယူ၀ါဒအဆင့္ဆင့္ထိ က်ယ္ျပန္႔လာပါသည္။

စႏၵသူရိယ ဘုရင္မင္းျမတ္ ရခုိင္ျပည္ကုိ အုပ္ခ်ဳပ္ခဲ႔သည္အခ်ိန္အခါက ဗုဒၶရုပ္ထုေတာ္ကုိ သြန္းလုပ္သည္ဟု ရုိးရာဓေလ့ ထုံးတမ္းစဥ္လာယုံႀကည္မွဳ ထားရွိႀကသည္။ စႏၵသူရိယဘုရင္မင္းျမတ္သည္ ဗုဒၶ၏ ေဟာႀကားျပသမွဳတုိ႔၏ သတင္းကုိ ႀကားသိရျပီး ဗုဒၶကုိရုိေသကုိးကြယ္ရန္ ဆႏၵျပင္းျပလာသည္ဟု အဆုိရွိေလသည္။ အိႏၵိယႏုိင္ငံ သာ၀တၳိျပည္တြင္ သီတင္းသုံးေနထုိင္ေတာ္မူေသာ ေဂါတမဗုဒၶသည္ ထုိအေႀကာင္းအရာကုိ သိရွိလာေသာေႀကာင့္ ဗုဒၶက သူ၏သာ၀က အာနႏၵာအား ေျပာျပေလသည္မွာ “ေႀကာက္မက္ဖြယ္ေကာင္းေသာ ေရနဂါးမ်ား အုပ္ခ်ဳပ္ထားေသာ ႀကီးမားက်ယ္ျပန္႔ေသာ ျမစ္ပင္လယ္သမုဒၵရာကုိ ျဖတ္ေက်ာ္လာရမည္ျဖစ္၍ ဤကဲ႔သုိ႔ေသာ ခက္ခဲႀကမ္းတမ္းေသာခရီးသည္ စႏၵသူရိယဘုရင္မင္းျမတ္အတြက္ အလြန္အႏၱရာယ္ရွိလိမ့္မည္။ ထုိ႔ေႀကာင့္ တပည့္ရဟႏၱာ (၅၀၀) ႏွင့္အတူ ေဂါတမဗုဒၶသည္ ေကာင္းကင္ခရီးျဖင့္ ႀကြေရာက္လာျပီး ေက်ာက္ေတာ္ျမဳိ႕၏ တဖက္ကမ္းရွိ ေမာရပဗၺတေတာင္၌ ဆင္းသက္ရပ္နားေတာ္မူခဲ႔ေလသည္။ ဤတြင္ ဗုဒၶ၏ ေရွးေရွးဘ၀ေပါင္းမ်ားစြာက က်င္လည္ေတာ္မူခဲ႔ေသာေနရာတုိ႔တြင္ ဗုဒၶ၏ ဓါတ္ေတာ္မ်ားကုိ ဌာပနာထည့္၍ ဘုရားပုထုိးမ်ားစြာတုိ႔ကုိ တုိင္းျပည္အႏွံ႔ တည္ထားကုိးကြယ္လာႀကလိမ့္မည္ဟု ႀကဳိတင္ေဟာကိန္းထုတ္ ဗ်ာဒိတ္ေတာ္ေပးေလသည္။ဤကဲ႔သုိ႔ဗုဒၶ၏ ဗ်ာဒိတ္ေပးခ်ိန္တြင္ မဟာပထ၀ီေျမႀကီးသည္ တုန္လွဳပ္ျပီး ပင္လယ္သမုဒၵရာတုိ႔သည္ ေရေႏြးအုိးဆူသကဲ့သုိ႔ ဆူပြက္ေလသည္။ စႏၵသူရိယဘုရင္မင္းျမတ္သည္ ဤနိမိတ္ေဆာင္ေသာ လကၡဏာမ်ား၏ ဆုိလုိရင္းကုိ သူ၏ေဗဒင္ဆရာ၊ ဟူးရားတတ္တုိ႔အား ေမးျမန္းစုံစမ္းလွ်က္ တုန္လွဳပ္ထိတ္လန္႔ရျခင္းျဖစ္ေလသည္။ ေဂါတမဗုဒၶ ရခုိင္ျပည္ကုိ ေရာက္ရွိလာသည့္အေႀကာင္းကုိ ဘုရင္မင္းျမတ္သိရွိေတာ္မူေသာအခါ ရာေပါင္းမ်ားစြာေသာ အေျခြအရံတုိ႔ႏွင့္အတူ သူ၏မိဖုရားေခါင္ႀကီး စႏၵရမာလာ၊ သူ၏မွဳးမတ္ တုိင္းသူျပည္သားတုိ႔ႏွင့္အတူ ပဗၺတေတာင္ေပၚသို႔ သြားေရာက္ႀကေလသည္။ ဘုရင္မင္းျမတ္သည္ ေဂါတမဗုဒၶအား အရုိအေသေပးျပီးေနာက္ ဗုဒၶက သူ႔အား ပဋိစၥသမုပၸါဒ္စက္၀ုိင္းတရားေတာ္ကုိ ေဟာႀကားသင္ျပခဲ့ေလသည္။ ယင္းျပီးေနာက္ ျမဳိ႕ေတာ္တြင္(၇) ရက္ႀကာ သီတင္းသုံးေနထုိင္မူမည္ကုိ ဗုဒၶကသေဘာတူလက္ခံေလသည္။ ျမဳိ႕ေတာ္မွ ဗုဒၶမထြက္ခြာမွီ ဗုဒၶပရိနိဗၺာန္ ျပဳေတာ္မူျပီးေနာက္ ႏွစ္ေပါင္း (၅၀၀၀)တုိင္တုိင္ ႀကည္ရုိေလးစားမွဳခံရမည္ျဖစ္ေသာ ဆံေတာ္ဓါတ္ႏွင့္ ဗုဒၶ၏ရုပ္ထုကုိယ္ပြားေတာ္တစ္ဆူထားခဲ႔မည္ဟု ဗုဒၶသေဘာတူလက္ခံေလသည္။

နန္းေတာ္ရာ၏ အေရွ႕ေျမာက္ဘက္ သီရိဂုတၱေတာင္ကုန္းေပၚတြင္ အေလးအျမတ္ထားရွိေသာ ဗုဒၶရုပ္ထုေတာ္ကုိ ေကာင္းကင္ဘုံ ဗိသုကာပညာရွင္ နတ္မ်ား၏ဘုရင္ သိႀကားမင္းႏွင့္အတူ စႏၵသူရိယဘုရင္မင္းျမတ္အပါအ၀င္ တုိင္းသူျပည္သားတုိ႔က တည္ထားကုိးကြယ္ႀကေလသည္။ ရုပ္ထုေတာ္အတြင္းပုိင္သုိ႔ ေဂါတမဗုဒၶ၏ ရင္ေငြ႔ေတာ္ဓါတ္ထည့္လုိက္ေသာအခါ ေဂါတမဗုဒၶႏွစ္ဆူရွိလာသကဲ႔သုိ႔ ျဖစ္ေပၚလာေလသည္။ အံ့ႀသႀကည္ညဳိစရာေကာင္းလွေသာ လကၡဏာရပ္မ်ား ေပၚထြက္လာေလသည္။ မဟာပထ၀ီေျမႀကီး တုန္လွဳပ္လာျပီး ရုပ္ထုေတာ္သည္ တျဖည္းျဖည္း အသက္ရွိသကဲ႔သုိ႔ သူ၏ ေနာင္ေတာ္ ေဂါတမဗုဒၶအား ႀကဳိဆုိသည့္အေနအထားႏွင့္ မတ္တပ္ထရပ္ေလသည္။ ထုိ႔ေနာက္ ေဂါတမဗုဒၶသည္ သူ၏သာ၀က ဗုဒၶရဟန္းေတာ္မ်ားႏွင့္အတူ သံတြဲဘက္သုိ႔ ေကာင္းကင္ခရီးျဖင့္ ႀကြသြားေလသည္။ ယင္းအခ်ိန္အတြင္း ဘုရင္ စႏၵသူရိယမင္းျမတ္သည္ သူ၏ မူးမတ္ေသနာပတိတုိ႔ႏွင့္အတူ အေႀကာင္းကိစၥတုိ႔ကုိ တုိင္ပင္ျပီးေနာက္ ဗုဒၶ၏စစ္မွန္ေသာ ရုပ္ထုေတာ္အား ကုိးကြယ္ဆည္းကပ္ျပီး ပြဲလမ္းသဘင္မ်ား က်င္းပေလသည္။ ရုပ္ထုေတာ္၏ ထူးျခားခ်က္မ်ားမွာ ေရာင္ျခည္ေတာ္ေျခာက္သြယ္ ထြက္ရွိေလသည္။ ရုိေသကုိင္းရွုိင္းသူမ်ားမွာ အနီးကပ္ဖူးေမွ်ာ္လာေသာအခါ ေရာင္ျခည္ေတာ္မ်ား ထြက္ရွိျပီး အယုံအႀကည္မရွိသူမ်ား ဖူးေမွ်ာ္ေသာအခါ ေရာင္ျခည္ေတာ္မ်ား ေမွးမွိန္သြားေလ့ရွိသည္ဟု အဆုိရွိေလသည္။ ရုပ္ထုေတာ္တည္ရွိေသာ ေနရာ၏ပတ္၀န္းက်င္ အရပ္ေလးမ်က္ႏွာတုိ႔တြင္ အေစာင့္အေရွာက္အျဖစ္ ေက်ာက္ရုပ္ထုမ်ားထားရွိျပီး မေကာင္းေသာ အႀကံအစည္ရည္ရြယ္ခ်က္တုိ႔ႏွင့္ ဗုဒၶရုပ္ပြားေတာ္အနီးသုိ႔ လာေရာက္သူတုိ႔အား အေ၀းသုိ႔ ေရွာင္ရွားသြားေစသည္။
ေ၀သာလီေခတ္မွ ပထမဘုရင္တုိင္ေအာင္ ဗုဒၶရုပ္ထုေတာ္အတြက္ ေက်ာက္ပလႅင္တစ္ခုတည္ေဆာက္ျပီး သိမ္ေတာ္ကုိ ျပန္လည္တည္ေဆာက္သည္ဟု အဆုိမွတပါး အျခားမည္သည့္အေႀကာင္းအရာကုိမွ မွတ္တမ္းတင္ထားျခင္း မရွိခဲ႔ေပ။ ေ၀သာလီမွ ပထမဆုံးဘုရင္၏ အရုိက္အရာကုိ ဆက္ခံသူသည္ မဟာမုနိသိမ္ေတာ္အား ျပန္လည္မြမ္းမံျပင္ဆင္မွဳ ျပဳလုပ္ေလသည္။ သီရိလကၤာႏွင့္ ပုဂံမွ ဘုန္းေတာ္ႀကီးမ်ားသည္ ရုပ္ထုေတာ္အားကုိးကြယ္ဆည္းကမ္ရန္ ေရာက္ရွိလာခဲ႔ႀကသည္။ ပ်ဴ-ဗမာႏွင့္ မြန္ဘုရင္မ်ားက မဟာမုနိ သိမ္ေတာ္ႀကီးအတြင္း အေလးအျမတ္ထားေသာ ဗုဒၶရုပ္ထုေတာ္အား ပုိင္ဆုိင္လုိေသာ ရည္ရြယ္ခ်က္မ်ားႏွင့္ ရခုိင္ျပည္ကုိက်ဴးေက်ာ္၀င္ေရာက္လာခဲ႔ႀကသည္ဟု အဆုိရွိေလသည္။ သုိ႔ေသာ္လည္း မည္သည့္ဘုရင္တစ္ပါးမွ ေအာင္ျမင္မွဳ မရွိခဲ႔ေပ။ တခ်ဳိ႕သည္ သိမ္ေတာ္ႀကီးအား ျပန္လည္ျပဳျပင္ မြမ္းမံရန္ ကတိက၀တ္ျပဳႀကေလသည္။ (၁၂) ရာစုအခ်ိန္တြင္ သိမ္ေတာ္ႏွင့္ ဗုဒၶရုပ္ထုေတာ္ ေပ်ာက္ဆုံးေလသည္။ သုိ႔ေသာ္လည္း ေလးျမဳိ႕ေခတ္မွ ဘုရင္တပါး၏ အရုိက္အရာဆက္ခံသူမ်ားသည္ ယုံႀကည္မွုကုိ ဆက္လက္ေထာက္ခံျခင္းျဖင့္ ရုပ္ထုေတာ္ႏွင့္ သိမ္ေတာ္ႀကီးတုိ႔ကုိ ျပန္လည္ရွာေဖြေတြ႔ရွိျပီး သိမ္ေတာ္အား ျပန္လည္ေတာက္ေဆာက္ခဲ႔ႀကေလသည္။

ေျမာက္ဦးမင္းဆက္ကုိ တည္ေထာင္သူ ဘုရင္မင္းေစာမြန္သည္ သူ၏ျမဳိ႕ေတာ္မွ မဟာမုနိသုိ႔ လမ္းတခုေဖာက္လုပ္တည္ေဆာက္ျပီး မင္းမ်ဳိးမင္းႏြယ္တုိ႔၏ ရုိးရာထုံးတမ္းစဥ္လာ ဘုရားဖူးခရီးတစ္ခုစတင္ခဲ့ေလသည္။ (၁၆) ရာစုတြင္ ဘုရင္းမင္းဗာသည္ ေျမာက္ဦးျမဳိ႕မွ သွ်စ္ေသာင္းဘုရားအပါအ၀င္ တုိင္းျပည္အႏွံံံ႔တြင္ တည္ရွိေနေသာ ဘုရားေက်ာင္းအေဆာက္အဦး အမ်ားအျပားတုိ႔အတြင္း မူရင္းႏွင့္ ဆင္တူျဖစ္ေသာ မေရမတြက္ႏုိင္သည့္ မဟာမုနိရုပ္ပြားေတာ္မ်ားကုိ ထုလုပ္ထားရွိရန္ အမိန္႔ေတာ္ခ်မွတ္ခဲ့ေလသည္။

၁၇၈၄-ခု တြင္ ျမန္မာဘုရင္ ဘုိးေတာင္ဘုရားသည္ ရခုိင္ျပည္ကုိ သိမ္းပုိက္ေလသည္။ ထုိ႔ေနာက္ မဟာမုနိရုပ္ရွင္ေတာ္ျမတ္အား မႏၱေလးသုိ႔ သယ္ယူသြားခဲ႔သည္။ ထုိရုပ္ရွင္ေတာ္ျမတ္ႀကီးအား ျမန္မာျပည္တြင္ ယေန႔ထိတုိင္ အေလးျမတ္ဆုံးထားေသာ ရုပ္ထုေတာ္အျဖစ္ ဆက္လက္မွတ္ယူထားႀကဆဲျဖစ္သည္။ ဆုံးရွုံးသြားေသာ အေမြအႏွစ္ေႀကာင့္ ရခုိင္ျပည္သူတုိ႔အား နက္နက္နဲနဲ စိတ္ထိခုိက္ေစခဲ႔သည္။ ဆက္လက္ျပီး မႀကာမီ ျဗိတိသွ်တုိ႔၏ အုပ္ခ်ဳပ္မွုကုိ ရခုိ္င္ျပည္သူတုိ႔ ဆက္လက္ခံရေလသည္။ (၁၈၆၇) ခုႏွစ္တြင္ မဟာမုနိသိမ္ေတာ္ရာ အနီးပတ္၀န္းက်င္မွ ေတြ႔ရွိေသာ ေက်ာက္ရုပ္ထုေတာ္တစ္ဆူအတြက္ ဘုရားသိမ္ေတာ္ကုိတည္ေဆာက္ခဲ႔ႀကသည္။

လြန္ခဲ႔ေသာ ႏွစ္(၈၀)အတြင္းက နဂုိမူရင္းအတုိင္း သိမ္ေတာ္ႀကီးကုိ ျပန္လည္ျပင္ဆင္မြမ္းမံမွဳတုိ႔ကုိ လုပ္ေဆာင္ခဲ႔သည္။ ယင္းအခ်ိန္တြင္ ေအာက္ရင္ျပင္မ်ားကုိ ျပန္လည္ထိမ္းသိမ္းေပးျပီး မႏၱေလး၌ရွိေသာ မူရင္းမဟာမုနိ ထုိင္ေတာ္မူပုံစံ ေႀကးရုပ္ထုေတာ္္အသစ္တစ္ဆူကုိ သြန္းလုပ္ခဲ႔ႀကသည္။ ယေန႔အခါမွာ မဟာမုနိဘုရားသိမ္ေတာ္ေနရာသည္ ျပည္တြင္း၊ ျပည္ပ ဘုရားဖူးတုိ႔၏ အေရးႀကီးေသာ ဗဟုိအခ်က္အခ်ာ တစ္ခုအျဖစ္ ျပန္လည္စည္ကားလာပါသည္။

မဟာမုနိသိမ္ေတာ္သည္ နန္းေတာ္ရာကုန္း၏ အေရွ႔ေျမာက္ေထာင့္၌ရွိေသာ ေတာင္ပူစာတစ္ခုကုိ လႊမ္းျခဳံျပဳလုပ္ထားေသာ ေနရာတစ္ခုျဖစ္သည္။ ေရွးႏွစ္ေပါင္း ရာစုမ်ားစြာကပင္ မဟာမုနိဘုရားသိမ္ေတာ္တြင္ ဘုရားဖူးခရီးသည္မ်ား စည္ကားသုိက္ျမဳိက္ေနေသာ ဗဟုိအခ်က္အခ်ာလည္းျဖစ္ျပီး က်ဴးေက်ာ္၀င္ေရာက္သူမ်ား လက္ေအာက္ ရခုိင္ျပည္က်ေရာက္ျပီး ရခုိင္ျပည္သူျပည္သားမ်ား ဆင္းရဲဒုကၡခံစားခဲ႔ရေလေသာအခါ ယာယီအားျဖင့္ ဘုရားဖူးခရီးသည္မ်ား နည္းပါးမွုရွိခဲ႔ေလသည္။ မူရင္းအေဆာက္အဦး၏အႀကြင္းအက်န္ လုံး၀မရွိခဲ႔ေသာ္လည္း ယင္း၏ မူရင္းပုံစံတစ္ခုျဖစ္သည္ကုိ ေကာင္းကင္ဓါတ္ပုံမ်ားတြင္ ေတြ႔ျမင္ႏုိင္သည္။ ဘုရားသိမ္ေတာ္ကုိ ေထာင့္မွန္စတုဂံနံရံႏွစ္ဆင့္က ၀ုိင္းရံထားရွိျပီး သိမ္ေတာ္၏အေရွ႔ဘက္ အေနာက္ဘက္ေတာင္ဘက္ႏွင့္ ေျမာက္ဘက္တုိ႔တြင္ ၀င္ေပါက္ေလးေပါက္ ေဖာက္ထားျပီး အေရွ႕ဘက္၀င္ေပါက္ကုိအဓိက ၀င္ေပါက္အျဖစ္ ထားရွိသည္။ ပထမဆုံး ရင္ျပင္၏ အေရွ႕ေတာင္ေထာင့္ႏွင့္ အေရွ႕ေျမာက္ေထာင့္တုိ႔တြင္ ဗုဒရုပ္ထုေတာ္ႀကီးအား ရုိးရာဓေလ့ထုံးတမ္းစဥ္လာအရ ကုိယ္လက္သန္႔စင္ရန္အတြက္ အသုံးျပဳရန္ ေရကန္ႀကီးႏွစ္ခု ထားရွိပါသည္။ အိႏၵိယအေရွ႕ေျမာက္ပုိင္း နာလႏၵ၌ရွိေသာ ထင္ရွားေက်ာ္ႀကားေသာ ဗုဒၶဘာသာ၀င္ဘုန္းေတာ္ႀကီးမ်ား စုေ၀းေနထုိင္ေသာ ေနရာတစ္ခုျဖစ္ျပီး ေရွး (၆) ရာစုမွပင္ အဆင့္ဆင့္ေျပာင္းလဲ တုိးတက္လာေသာ အဓိက ဂူဘုရားေက်ာင္းေတာ္တြင္ ယခင္မူရင္းနည္းတူ အနီးစပ္ဆုံး ပုံစံျဖစ္ေသာ ဘုရားေက်ာင္းေဆာင္ကုိ ေတြ႔ရွိႏုိင္ေလသည္။
বিস্তারিত পড়ুন

ရခိုင္သမက္တက္

ခိုင္အပ်ိဳ၊ လူပ်ိဳမ်ား အရြယ္ေရာက္လွ်င္ လူငယ္ခ်င္းခ်စ္ႀကိဳက္၍ လက္ထက္မဂၤလာေဆာင္ျခင္းမ်ားရွိသလုိ အမ်ားအားျဖင့္ မိဘမ်ားက အိမ္ေထာင္ဘက္ကို ေရြးခ်ယ္ေပးသည္က မ်ားပါသည္။ ရခိုင္လူမ်ိဳးသည္ မိဘစကားကို နာခံတတ္သူမ်ားျဖစ္သျဖင့္ မိဘမ်ား၏အစီအမံကို လက္ခံတတ္ေလ့ရွိသည္။ သားသမီးမ်ားအခ်ိန္တန္အရြယ္ေရာက္လာလွ်င္ အိမ္ေထာင္ဖက္ကို အမ်ားအားျဖင့္မိဘမ်ားက ေရြးခ်ယ္ေပးေသာဓေလ့သည္ ရခိုင္လူမ်ိဳးတြင္ ယခုေခတ္ခ်ိန္ထိ ေခတ္စားလွ်က္ရွိသည္။ ေရွးရိုးအစဥ္အဆက္ က်င့္သံုးလာခဲ႔ေသာ ရခိုင္လူမ်ိဳးတုိ႔၏ လက္ထပ္္မဂၤလာပြဲဓေလ့သည္ ျမန္မာမ်ားႏွင့္မတူ ထူးျခားေသာ ဓေလ့ထံုးစံမ်ားျဖစ္သည္။

ရခိုင္ရိုးရာသမက္တက္

ရခိုင္ရိုးရာမဂၤလာေဆာင္တြင္ ျမန္မာရိုးရာမဂၤလာေဆာင္ႏွင့္မတူ တမူထူးျခားသည္။ သမီးသွ်င္  (သတို႔သမီး) ႏွင့္ သမက္သွ်င္ (သတို႔သား) လက္္ထပ္ထိမ္းျမားေသာ မဂၤလာေဆာင္ပြဲကို ရခိုင္စကားတြင္ “သမက္တက္ပြဲ” ဟုေခၚသည္။ ေယာကၡမအိမ္သို႔ သမက္ကိုတင္ပို႔ရေသာေၾကာင့္ လည္းေကာင္း၊ လက္ထပ္ရန္ သြားရေသာေၾကာင့္ လည္းေကာင္း “သမက္တက္” ဟုေခၚရျခင္းျဖစ္သည္။ သံတြဲ၊ ေက်ာက္ျဖဴ၊ မာန္ေအာင္ႏွင့္ အျခားေသာေဒသမ်ားတြင္ အနည္းငယ္ကြဲလြဲခ်က္ရွိသည္။

သမီးေတာင္းျခင္း

ပထမေယာက်္ားေလးဘက္မွ မိန္းမပ်ိဳကိုႀကိဳက္လွ်င္ အရပ္မွအမ်ိဳးသမီးႀကီးမွတဆင့္ ေျပာၾကားၿပီး ရက္တည့္မတည့္ ဇာတာမ်ားယွဥ္ၿပီး စီစစ္ရသည္။ ထို႔ေနာက္ ေကာင္းေသာရက္ကိုေရြးခ်ယ္ၿပီး ေစ့စပ္ေၾကာင္းလမ္း ျပဳလုပ္သည္။


ေစ့စပ္ေၾကာင္းလမ္းျခင္းမဂၤလာ (အသြင္းႏွင္းျခင္း၊ ပန္းဆင္ျခင္း)



ေစ့စပ္ေၾကာင္းလမ္း မဂၤလာပြဲကို သမီးသွ်င္အိမ္တြင္ျပဳလုပ္သည္။ ေရွးဦးစြာ သမီးသွ်င္ ထိုင္ရန္ေနရာ၏ လက္၀ဲလက္ယာဘက္တြင္ အမ်ိဳးသမီးအိမ္ေထာင္သည္ႏွစ္ဦး ထိုင္ရသည္။ ေဆြမ်ိဳးမ်ားႏွင့္ ဖိတ္ၾကားထားေသာ အာဂႏၲဳမ်ားက ယင္းတုိ႔၏ေရွ႔တြင္ ေနရာယူရသည္။ ထိုအခ်ိန္တြင္ သမီးသွ်င္ထြက္မလာရေသး။ သတ္မွတ္ထားေသာ မဂၤလာအခ်ိန္ေရာက္ေသာအခါ သမက္သွ်င္ (သတိုးသား) ဘက္မွ ေဆြမ်ိဳးပရိတ္သတ္မ်ား လာေရာက္သည္။ လာေရာက္ေသာအခါ သမီးသွ်င္ကိုဆင္ျမန္းေပးရန္ ပန္းမ်ားႏွင့္ စားစရာမုန္႔အခ်ိဳမ်ား၊ ေကာက္ညွင္းေပါင္းမ်ားကို ေငြဖလားထဲတြင္ ထံုးတမ္းစဥ္လာႏွင့္အညီထည့္၍ ယူလာရသည္။ ေငြဖလားဦးေရမွာလည္း မဂဏန္းအေရြအတြက္တိုင္း ႀကိဳက္သလို အသံုးျပဳႏုိင္သည္။ သမီးသွ်င္သည္ အမ်ိဳးသမီးအရံတဦးႏွင့္အတူ ထြက္လာၿပီး သတ္မွတ္ထားေသာေနရာတြင္ ထိုင္ရသည္။ ပန္းမ်ား၊ မုန္႔မ်ားႏွင့္အတူ သမက္သွ်င္မိဘမ်ားထံမွ သမီးသွ်င္အား ေစ့စပ္ေၾကာင္းလမ္းျခင္း ရခိုင္အခၚ (ကတိသစၥာျပဳျခင္း) အထိမ္းအမွတ္အျဖစ္ သားသွ်င္ဘက္မွ အမိ (သို႔မဟုတ္) အစ္မက သတုိ႔သမီးကို ပန္းဆင္ေပးရသည္။

ထို႔ေနာက္္လက္၀တ္ရတနာမ်ားကို ေရႊက်ပ္ခ်ိန္ျဖင့္ေပးၿပီး အသြင္း( လက္ဖြဲ႔အျဖစ္) ေပးေဆာင္ရပါသည္။ ထိုရတနာဆင္ျမန္းျခင္း၊ သမီးသွ်င္အား ပန္းပန္ေပးျခင္းျပဳလုပ္သူကို သမီးသွ်င္က အရိုအေသျပဳကန္ေတာ့ၿပီးလွ်င္ ေစ့စပ္မဂၤလာ ေအာင္ျမင္ပါေတာ့သည္။

မဂၤလာလက္ထပ္္မည့္ေန႔ရက္ကို ယင္းအခ်ိန္မွာပင္ ႏွစ္ဦးႏွစ္ဘက္ ညွိႏွဳိင္းေဆြးေႏြး သတ္မွတ္ရပါသည္။ ေဆြမ်ိဳးပရိသတ္မ်ားကို မဂၤလာရက္ေၾကျငာေပးရသည္။ ထို႔ေနာက္ ႄကြေရာက္လာေသာ ႏွစ္ဦးႏွစ္ဘက္ေဆြမ်ိဳး၊ ပရိသတ္မ်ားကို ဧည့္ခံေကြ်းေမြးရသည္။ ေစ့စပ္ပြဲၿပီး၍ သမက္သွ်င္ဘက္မွျပန္က်ေသာအခါ သမက္သွ်င္ဘက္မွယူလာေသာ ေငြဖလားထဲမွ မုန္႔အခ်ိဳမ်ားကို သမီးသွ်င္ဘက္မွလက္ခံယူၿပီးေနာက္ ယင္းဖလားထဲသို႔ သမီးသွ်င္ဘက္မွလည္း မုန္႔မ်ားကို ျပန္ထည့္ေပးရသည္။

လက္ထပ္္မဂၤလာပြဲ
လက္ထပ္္မဂၤလာပြဲတြက္ မဂၤလာပြဲတင္ကို တရက္ႀကိဳတင္ ျပဳလုပ္ရသည္။ မဂၤလာပြဲတင္သည္ လက္ထပ္မဂၤလာပြဲအတြက္ ေရွ႔ဦးစြာေဆာင္ရြက္ရေသာ အလုပ္ျဖစ္သည္။ ယင္းပြဲကို သမီးသွ်င္အိမ္၌သာ ျပဳလုပ္ရသည္။ မဂၤလာပြဲေန႔ ေရာက္ေသာအခါ ယင္းေန႔ မိုးေသာက္အာရုဏ္တြင္ သမီးသွ်င္သမက္သွ်င္တုိ႔အား မိမိအိမ္မ်ားမွာပင္ ျမတ္စြာဘုရားအားဦးထိပ္ထား၍

ဘုန္းႀကီးငါးပါးအား မဂၤလာဆြမ္းကပ္ၿပီး မဂၤလာပရိတ္နာရသည္။ အဘိုး၊ အေဘာင္ (အဘြား)၊ လူႀကီးမိဘမ်ားကိုကန္ေတာ့၊ မဂၤလာစကားတတ္ကၽြမ္းသူမ်ားက နံ႔သာရည္မ်ားျဖင့္ ပတ္ျဖန္းျခင္းမ်ားျပဳလုပ္ကာ မဂၤလာေျမွာက္ရသည္။ ပရိတ္နာရာတြင္ ပရိတ္ႀကီးမွာ လက္ထက္မဂၤလာပြဲအတြက္ အဓိကအေရးႀကီးဆံုးျဖစ္သည္။ ေရွးဦးစြာ မဂၤလာစားပြဲငယ္ကို ျပင္ဆင္ရသည္။

ယင္းစားပြဲတြင္ပါ၀င္ရမည့္အခ်က္မ်ားမွာ-

မဂၤလာေျမွာက္ျခင္း
မဂၤလာထမင္းပြဲျပင္ဆင္ျခင္း

သီးသန္႔ျပဳလုပ္ထားေသာ မဂၤလာစားပြဲကိုစားပြဲခင္း၍ အေပၚတြင္စပါးျဖဴးထားသည္။ ျဖန္႔ႀကဲထားေသာစပါးေပၚတြင္ ဘဲဥပံု မဂၤလာ ေႀကြပန္းကန္ျပားႀကီးတြင္ ေကာက္ညွင္းႏွင့္ ထမင္းမ်ားထည့္၍ တင္ထားရသည္။ ယင္းထမင္းေပၚတြင္ ခ်က္ၿပီးသား ေျခလက္အေမႊးစံုေသာ ပုစြန္တုပ္ႀကီးႏွစ္ေကာင္၊ အေမႊးစံုအေႀကး ခြံပါေသာ ငါးကန္သားႏွစ္ေကာင္၊ ဘဲဥႏွစ္လံုး၊ ေျမာက္ဥ (ေခၚ) ကင္းစြန္းဥႏွစ္ဥႏွင္႔ အခြံႏႊာၿပီးေသာငွက္ေပ်ာသီးႏွစ္လံုးစီျဖင့္ ျပင္ဆင္ထားရသည္။ ငါး၊ ပုစြန္၊ ဥ၊ သီးႏွံစပါးေပါႄကြယ္ေစရန္ အတိတ္နမိတ္ ယူထားျခင္းျဖစ္သည္။ စပါးမ်ားထဲတြင္ ေရႊဒဂၤါး၊ ေငြဒဂၤါးမ်ားျမွပ္ႏွံထားရသည္။ ေရႊေငြပြားမ်ားေအာင္ ရည္ရြယ္ျခင္းျဖစ္သည္။

သမီးသွ်င္ထိုင္ေသာ ေနရာလက္ယာဘက္တြင္ ေရစင္အိုးဟုေခၚေသာ ေႀကးအိုးငယ္ႏွစ္လံုး တင္ထားရသည္။ ေႀကးအိုးအျပင္ဘက္ ပတ္လည္ကို မဂၤလာပရိတ္ျခည္ျဖင့္ ပတ္ထားရသည္။ ေႀကးအိုး၌ေရထည့္ထားၿပီး သေျပပန္း၊ အခ်ိန္ခါေကာင္းသတ္မွတ္ေသာစာရြက္ (အခါစာ) တုိ႔ကို ထိုးထားရသည္။

ထမင္းစားပန္းကန္ျပား၏ လက္၀ဲဘက္တြင္ ပန္းကန္ျပားငယ္မ်ားတင္ၿပီး ယင္းပန္းကန္ျပားငယ္အသီးသီးတြင္ ၾကက္တေကာင္လံုး အူအသဲစံုစြာ ငရုတ္သီးမပါဘဲ ခ်က္ရသည္။ ပုစြန္တုပ္ကို အေကာင္မပ်က္ေက်ာ္ရသည္။ ေရႊဖရံုသီးခ်က္ထည့္ရသည္။ က်န္ပန္းကန္ျပား ႏွစ္ခုတြင္ ၾကက္ႏွင့္ပုစြန္သာ ထည့္ရသည္။ ၾကက္ႏွစ္ပန္းကန္ျပား၊ ပုစြန္ႏွစ္ပန္းကန္ျပား ၊ ေရႊဖရံုသီးႏွစ္ပန္းကန္ျပား ျဖစ္သည္။ မဂၤလာလက္ဆံုထမင္းပြဲတြင္ ငကန္သား (အေႀကးရွိေသာငါး)၊ ၾကက္သား၊ ဘဲဥ၊ ပုစြန္၊ ေျမာက္ဥ၊ ကင္းစြန္းဥ၊ ခ်ဥ္ေပါင္ဟင္းမ်ားထည့္ထားသည့္ ဟင္းစားပန္းကန္ကတဖက္္ ထားရွိသည္။ ပုစြန္ဆိုလွ်င္ ႏွဳတ္ခမ္းေမႊး အမွ်င္မျပတ္ေစရ။ အက်ိဳးအပဲ့အနာအဆာမ်ားမပါေစရန္ အထူးဂရုျပဳရသည္။

ဤမဂၤလာစားပြဲကို မဂၤလာေဆာင္မည့္ေနရာတြင္ထားရွိပီး မဂၤလာေျမွာက္ျခင္းျပဳလုပ္ရသည္။ အညႊန္႔ရွိေသာ အမ်ိဳးသမီးက သမက္သွ်င္အိမ္မွ ဆန္ႏို႔ဆီဗူးႏွစ္ဗူး၊ ေလးဗူး၊ ေျခာက္ဘူးစသျဖင့္ စံုဂဏန္းကို သမီးသွ်င္အိမ္သို႔သြားပို႔ကာ သမီးသွ်င္အိမ္မွ ဆန္မ်ားႏွင့္ေရာၿပီး အညႊန္႔ရွိေသာအမ်ိဳးသမီးက မဂၤလာလက္ဆံုထမင္းပြဲအတြက္ ခ်က္ရသည္။

အညႊန္႔ရွိေသာ အမ်ိဳးသမီးဆိုသည္မွာ လူပ်ိဳ၊ အပ်ိဳလက္ထပ္ၿပီး မကဲြမကြာေမာင္ႏွံစံုအတူတကြ ေနထိုင္၍ သားသမီး တေယာက္တေလမွ ပ်က္စီးျခင္းမရွိေသာ “အိမ္္ေထာင္သွ်င္မ” ကိုဆိုလိုသည္။

အထက္ပါ မဂၤလာပြဲျပင္ဆင္ျခင္းအလုပ္ကို ဘုန္းႀကီးမႄကြမီွ ျပင္ဆင္ထားရသည္။ ဘုန္းႀကီးႄကြလာၿပီး ပရိတ္နာသည့္အခါ မဂၤလာစားပြဲမွာ ဘုန္းႀကီးမ်ားေရွ႔တြင္ တည္ရွိေနရမည္။ ယင္းမဂၤလာစားပြဲရွိတြင္ သမီးသွ်င္က အမ်ိဳးသမီးႏွစ္ဦး လက္၀ဲလက္ယာရံ၍ ထိုင္ရသည္။ ထိုအရံအမ်ိဳးသမီးႏွစ္ဦးမွာ သမီးသွ်င္ေမြးရက္ႏွင့္ ေန႔နံသင့္သူမ်ားျဖစ္သည္။ ေရွးဦးစြာသီလခံယူၿပီးလွ်င္ ပရိတ္ႀကိဳးျဖင့္ စည္း၀ိုင္းခ်သည္။

သမီးေစာင့္ျခင္း

သမက္တက္သည့္ေန႔ မိုးေသာက္ ကိုးနာရီခန္႔တြင္ သမီးသွ်င္ႏွင့္ရင္းႏွီးေသာ မိတ္ေဆြ၊ အမ်ဳိးသမီးငယ္မ်ားႏွင့္၊ ေဆြမ်ိဳးမ်ားကို ထမင္းေကၽြးရသည္။ သမီးသွ်င္မွာ အလွပဆံုး၀တ္စားဆင္ယင္ကာ ေန႔သင့္နံသင့္အပိ်ဳရံႏွစ္ေယာက္ လက္၀ဲလက္ယာရံလွ်က္ မဂၤလာေဆာင္မည့္ေနရာတြင္ထိုင္၍ ဧည့္ခံရသည္။

သမက္တက္ျခင္း

သမက္သွ်င္ဘက္မွ သမီးသွ်င္ဘက္သို႔သြားေသာအခါ သမက္သွ်င္အေဖ၊ အဘိုး၊ ေဆြမ်ိဳး သက္ႀကီး ၀ါႀကီးမ်ားက ေရွ႔မွ ဦးေဆာင္လာႀကၿပီး အမိ၊ အေဘာင္ (အဘြား) စေသာသက္ႀကီး၀ါႀကီး အမ်ဳိးသမီးမ်ားက ေနာက္မွလိုက္ရသည္။ ထို႔ေနာက္ အုပ္ထမ္းသူ အညြန္႔မိန္းမမ်ားက တေယာက္ခ်င္းတန္းစီ၍ ေလွ်ာက္ရသည္။ အုပ္ထမ္းသူမ်ားမွာ မိန္းမေခ်ာ၊ မိန္းမလွမ်ားျဖစ္သည္။ ေရွ႔ဆံုးမွ အညြန္႔ပန္းအုပ္ကို သမက္သွ်င္၏အစ္မ (သို႔မဟုတ္) ေဆြမ်ိဳးရင္းခ်ာထဲက ထမ္းရသည္။ ေနာက္အုပ္မ်ားတြင္ မုန္႔အမ်ိဳးမ်ိဳး၊ ငွက္ေပ်ာသီးမ်ားထည့္ကာ ထမ္းလာရသည္။ အုပ္ထမ္းသူမ်ားအတြက္လက္ေဆာင္အျဖစ္ ပု၀ါပိုင္းမ်ားကို အုပ္မ်ားတြင္ခ်ိဳင္ေႏွာင္ထားရွိသည္။ အုပ္မ်ားကို သမက္သွ်င္တတ္ႏိုင္သည့္အေလွ်ာက္ (၇) အုပ္ (၉) အုပ္ထားရွိသည္။

အုပ္ထမ္းသူမ်ား၏ ေနာက္နားတြင္ သမက္သွ်င္အဖြဲ႔ ပါသည္။ သမက္သွ်င္၏ ဦးေသွ်ာင္ႏွင့္ ေရစင္အိုးကို ေရွ႔ကသယ္ယူလာရၿပီး သမက္သွ်င္မွာ ေခါင္းေပါင္း၊ ပန္းေဖာ္ေတာင္ရွည္ပုဆိုး၊ လိုင္ေထာင္အကၤ်ီ၊ ရင္ဖံုးျပင္ခံအင္းက်ီမ်ားကို၀တ္ဆင္ကာ ဓားရွည္လြယ္သူ၊ ယပ္ရွည္ကိုင္သူမ်ားျခံရံလွ်က္ လိုက္ပါလာရသည္။ ၄င္းတုိ႔၏ေနာက္တြင္ သမက္သွ်င္၏အေပါင္းအေဖာ္မ်ားမွာ ေသတၲာႏွင့္ အိပ္ရာလိပ္မ်ားကို သယ္ေဆာင္လာလႀကၿပီး ဗံု၊ လင္ခြင္း၊ ပုေလြတီးမွဳတ္သူမ်ားႏွင့္ တေပ်ာ္တပါးတီးမႈတ္လိုက္ပါလာရသည္။

သမီးသွ်င္အိမ္ေရာက္သည့္အခါ သမီးသွ်င္မိဘ ေဆြမ်ိဳးမ်ားက ဆီးႀကိဳ၍ ဧည့္ခံၿပီး ေနရာထိုင္ခင္းမ်ားေပးသည္။ ေရွးဦးစြာအညြန္႔အုပ္ထမ္းသူက အညြန္႔အုပ္ႏွင့္အတူပန္းဆင္ေပးရန္ သမီးသွ်င္အနားတြင္ ေနရာယူရသည္။ က်န္အုပ္မ်ားကို သမီးသွ်င္အိမ္မွလက္ခံယူ၍ ေနရာခ်ထားသည္။ သမက္သွ်င္ဘက္မွ သယ္ေဆာင္လာေသာ မဂၤလာေရစင္အိုးကိုလည္း မဂၤလာစားပြဲေပၚတြင္ သမီးသွ်င္၏ေရစင္အိုးႏွင့္အတူ ထားရသည္။ အညြန္႔အုပ္ထမ္းလာသူ သမက္သွ်င္၏အစ္မေဆမ်ိဳးမ်ားက သမီးသွ်င္ကို ပန္းဆင္ေပးရသည္။ အညြန္႔အုပ္တြင္ ရာသီအလိုက္ပန္းမ်ားပါလာရသည္။

ဥပမာ-
ႏွင္းပန္း ေအးခ်မ္းေစရန္
ႏွင္းဆီပန္း ေမြးႀကိဳင္လန္းဆန္းေစရန္
သဇင္ပန္း သန္႔ရွ င္းစင္ၾကည္ေစရန္
အခ်စ္တရာ (အခ်ပ္တရာ) ပန္း အခ်စ္အႏွစ္တရာတိုင္ေစရန္
စံကားပန္း စံစားရေစရန္

ပန္းမ်ားပန္းကံုးမ်ားကို တစံုစီ အညြန္႔အုပ္တြင္ ထည့္ယူလာရသည္။ ပန္းဆင္ေပးသူက ပန္းမ်ားကို တစံုစီ ငါးစံုဆင္ျမန္းေပးရသည္။ ဆံထံုးထဲတြင္လည္း ပန္းကံုးမ်ားထိုး၍ ပန္းပန္ေပးရသည္။ ထို႔ေနာက္ သမီးသွ်င္ကို ေသွ်ာင္ေဆာင္းေပးၿပီး မ်က္ႏွာကိုဖံုးအုပ္ထားရသည္။ သမီးသွ်င္ကို ပန္းပန္ဆင္ၿပီးေနာက္ သမက္သွ်င္ကို အိမ္ထဲသို႔၀င္ေစသည္။ အ၀င္တြင္ သမီးသွ်င္၏ ညီမအပိ်ဳမ်ားက ေျခေဆးေပး၍ ေငြေတာင္းခံသည္။ လူပ်ိဳရံမ်ားက ေစ်းဆစ္ျခင္းျဖင့္ အေခ်အတင္ေျပာဆိုရသည္။ လူပ်ိဳရံ၊ အပ်ိဳရံမ်ား တေစ့ တေစာင္းေျပာဆိုရသျဖင့္ ေပ်ာ္စရာေကာင္းသည္။ အိမ္ေပၚသို႔ေရာက္ေသာအခါ သမက္သွ်င္ကို ေရတခြက္တိုက္ရသည္။ ထို႔ေနာက္ သမက္သွ်င္ကို သမီးသွ်င္၏ညာဘက္တြင္ ေနရာယူစီၿပီး ေသွ်ာင္ေဆာင္းေပးရသည္။ ထိမ္းျမားပီးသူမ်ားက မဂၤလာစားပြဲေပၚရွိ မဂၤလာထမင္းပြဲကိုလည္းေကာင္း၊ ေရစင္အိုးမ်ားကိုလည္းေကာင္း (၇) ပတ္၊ (၉) ပတ္ပတ္ထားေသာ ပရိတ္ျခည္မွ်င္ကြင္းမ်ားျဖင့္ တမ်ိဳးတစံုက်စီ ရစ္ပတ္ေပးရသည္။ ထို႔ေနာက္ ေမာင္ႏွံအစံုအပါအ၀င္ မဂၤလာစားပြဲ၊ အိပ္ရာလိပ္၊ ေသတၲာမ်ားအားလံုးကို ပရိတ္ျခည္မွ်င္မ်ားျဖင့္ ရစ္ပတ္ေပးရသည္။ ထို႔ေနာက္ သမက္သွ်င္၏ညာလက္ႏွင့္ သမီးသွ်င္၏ညာလက္ကိုေပါင္း၍ ျခည္မွ်င္မ်ားျဖင့္ ရစ္ပတ္ေပးရသည္။

လက္ထပ္ေပးသည့္အမ်ိဳးသမီးႀကီးမ်ားက ေမာင္ႏွံစံုကို ေအာင္သေျပခက္ျဖင့္ ေရစင္အိုးႏွစ္စံု ေပါင္းစပ္ထားေသာ ေရစင္မ်ားျဖန္းကာ ဆုေတာင္းေမတၱာပို႔ရသည္။ ဆက္လက္၍ သမတ္သွ်င္ႏွင့္သမီးသွ်င္လက္မ်ားကိုေပါင္းၿပီး ေရစင္သြန္းေလာင္းရသည္။ သမီးသွ်င္လက္ကိုေအာက္တြင္ထားၿပီး သမက္သွ်င္လက္ကိုအေပၚမွာ ထားရသည္။ အခ်ိဳ႕မွာ သမက္သွ်င္လက္ကိုေအာက္ကလွန္ၿပီး သမီးသွ်င္လက္ကို အထက္ကေမွာက္သည္။ အဓိပၸါယ္မွာ သမက္သွ်င္က သမီးသွ်င္ကို ညာလက္ျဖင့္ေတာင္းဆိုျခင္းကို သမီးသွ်င္က ညာလက္ျဖင့္လက္ခံျခင္းသေဘာ၊ သမက္သွ်င္က သမီးသွ်င္ကို တသက္လံုးေစာင့္ေရွာက္ ေထာက္ပံ့တာ၀န္ယူသြားမည္ဟူေသာ သေဘာကိုေဆာင္သည္။

မိဘကန္ေတာ့ျခင္း

သမီးသွ်င္ေရွ႔တြင္ သမက္သွ်င္ဖခင္၊ သမက္သွ်င္ရွိတြင္ သမီးသွ်င္ဖခင္တုိ႔က ေနရာယူရသည္။ သမီးသွ်င္၊ သမက္သွ်င္တုိ႔က ဖခင္ႏွစ္ဦးရံု လာေသာတဘက္ျဖဴထဲသို႔ ထမင္းခုႏွစ္ဆုပ္ တၿပိဳင္တည္းထည့္ေပးျခင္း၊ မိခင္မ်ားအားလည္း ထမင္းခုႏွစ္ဆုပ္ တၿပိဳင္တည္းထည့္ပီးျခင္းသည္ မိဘႏွစ္ပါးကိုကန္ေတာ့ျခင္းသေဘာျဖစ္သည္။

လက္ဆံုစားျခင္း

မိဘမ်ားကိုကန္ေတာ့ၿပီးေနာက္ ေမာင္ႏွံစံုက မဂၤလာထမင္းကို ခုႏွစ္ဆုပ္စီလက္ဆံုစားရသည္။ စားေသာက္ၿပီး ေငြဖလားတြင္ အတူလက္ေဆးရသည္။

လက္ဖြဲ႔ျခင္း

ထမင္းလက္ဆံုစားၿပီးေနာက္ မိဘေဆြမ်ိဳးမိတ္ေဆြမ်ားက သမီးသွ်င္သမက္သွ်င္ေရွ႔ ေငြဖလားႏွစ္ခုထဲသို႔ လက္ဖြဲ႔ေငြမ်ား ထည့္ရသည္။ လက္ဖြဲ႔လက္ခံၿပီးေသာ ဖလားကို္ သမက္သွ်င္က သမီးသွ်င္ကိုအပ္ရသည္။ သမီးသွ်င္ကကန္ေတာ့၍ လက္ခံယူရသည္။

ေသွ်ာင္ခ်ေသွ်ာင္တင္

သမက္သွ်င္က မိမိေသွ်ာင္ကိုခၽြတ္၍ စားပြဲေပၚတင္ထားၿပီးလွ်င္ သမီးသွ်င္၏ေသွ်ာင္ကိုခၽြတ္ယူကာ မိမိ၏ေသွ်ာင္ကို ေဆာင္းပီးရသည္။ ေသွ်ာင္တင္၊ ေသွ်ာင္ခ်ျပဳလုပ္စဥ္ သမီးသွ်င္က သမက္သွ်င္ကို ရွိခိုးရသည္။ ေသွ်ာင္တင္၊ ေသွ်ာင္ခ်ခ အျဖစ္ သမက္သွ်င္က သမီးသွ်င္ကို ေငြလက္ဖြဲ႔သျဖင္႔ သမီးသွ်င္က ကန္ေတာ့ၿပီး လက္ခံရယူရသည္။ မဂၤလာအခမ္းအနားပြဲအၿပီးတြင္ ထြက္ခြာခြင့္ရရန္ သမက္သွ်င္က သမီးသွ်င္ဘက္မွအပ်ိဳရံလူပ်ိဳရံမ်ားက ေရႊႀကိဳးတားထား၍ ႀကိဳးတားခေပးရသည္။ ေနာက္ဆံုးခန္း၀င္ခ ေပးေဆာင္ရသည္။

အိမ္ျပန္လည္ျခင္း

သမက္တက္ၿပီး (၇) ရက္ေန႔တြင္ သမီးသွ်င္၊ သမက္သွ်င္မ်ားသည္ သမက္သွ်င္၏ မိဘအိမ္သို႔ မိုးထက္မွစ၍ လည္ရသည္။ သမက္သွ်င္၏မိဘ၊ အဘိုးအေဘာင္ (အဘြား) မ်ားကို သမီးသွ်င္၊ သမက္သွ်င္တုိ႔က ကန္ေတာ့ရသည္။ ညစာစားၿပီးမွ ျပန္ရသည္။ သို႔ျဖင့္ ၾကင္စဦးဇနီးေမာင္ႏွံႏွစ္ဦးသည္ အိုးအိမ္တည္ေထာင္ကာ တလင္တမယားစနစ္ျဖင့္ တသက္လံုးေပါင္းေဖာ္ရေတာ့သည္။

ရခိုင္လူမ်ိဳးမ်ားသည္ မဂၤလာပြဲကို ၀ါတြင္းႏွင့္ျပာသိုလမ်ားတြင္ ေရွာင္က်ဥ္ေလ့ရွိၿပီး တေပါင္းတန္ခူးလမ်ားတြင္ အမ်ားဆံုး က်င္းပျပဳလုပ္သည္။ ျပာသိုလတြင္ မဂၤလာေဆာင္က အိမ္ေထာင္စီးပြားေရးမျဖစ္ဘဲ မြဲျပာက်တတ္သည္ဟု အယူရွိသည္။ ရခိုင္ဓေလ့ထံုးတမ္းစဥ္လာအရ မဂၤလာပြဲႏွင့္ပတ္သက္၍ လိုက္နာရမည့္စည္းကမ္းခ်က္မ်ားစြာရွိသည္။ ထိုခ်မွတ္ထားေသာ စည္းကမ္းခ်က္မ်ားကို လိုက္နာၿပီး လက္ထပ္မဂၤလာပြဲသည္ ပကာသနမဖက္ အရိုးခံသက္သက္ျဖင့္ ရိုးရာမပ်က္ ခ်စ္ျမတ္ႏိုးစရာျဖစ္သည္။ ရခိုင္လူမ်ိဳးတုိ႔၏ ခ်စ္စရာေကာင္းေသာဓေလ့၊ တမူထူးျခားေသာ မဂၤလာအယူအဆမ်ားျဖစ္သည္။
 

 
က်မ္းကိုးကားစာအုပ္မ်ား
သားခ်င္းမ်ားအေၾကာင္းတေစ့တေစာင္း (ေမာင္ေအာင္မြန္)
ျပည္ေထာင္စုသားမ်ား၏ရိုးရာလက္ထပ္မဂၤလာပြဲဓေလ့မ်ား
(တကၠသိုလ္သွ်င္သီရိ)
ျမတ္ပန္းသဇင္ ရခိုင္အမ်ိဳးသမီးအသင္း (ရန္ကုန္)၂၀၀၇ ထုတ္
 

သမီးသွ်င္ = သတုိ႔သမီး
သမက္သွ်င္ = သတုိ႔သား
Credit = http://arakanliterature.webs.com/stories.htm မွ ကူးယူေဖာ္ျပသည္။ အခ်ဳိ႕ေသာ စကားလုံးမ်ားအား ဗမာစာအျဖစ္ ျပန္ဆုိထားပါသည္။
বিস্তারিত পড়ুন

তাঁত: জেগে উঠেছে রাখাইনপল্লি

শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০

 
রগুনার বঙ্গোপসাগরের তীরে আদিবাসী রাখাইনপল্লিগুলোতে এখন উত্সবের আমেজ। বড় বড় কুপিবাতি জ্বালিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তাঁতে কাপড় বোনার কাজ। দিন-রাতে এখন সমান ব্যস্ততা। সামনে ঈদ, তাই তাঁতগুলোর খটখট শব্দে পল্লিগুলো মুখর হয়ে উঠেছে। রংবেরঙের কাপড় বুনে সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানের বাজারে পাঠানো থেকে শুরু করে সব কাজই করতে হচ্ছে রাখাইন নারীদের। তাঁদের এখন অবসর নেই।
    এখানে উত্পাদিত কাপড় যাচ্ছে ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি আর কুয়াকাটার বাজারে। ঈদের ছুটিতে পর্যটকেরা কুয়াকাটা, রাঙামাটি, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে আসবেন। পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা আগেভাগেই আদিবাসী রাখাইনদের হস্তচালিত তাঁতে বোনা বাহারি রঙের কাপড় যেমন—থামি, লুঙ্গি, শার্টপিস, শাড়ি, গামছা, বিছানার চাদর, থ্রিপিস, হাতব্যাগ সংগ্রহ করছেন। এসবের জোগান দিতেই বেড়ে গেছে রাখাইনপল্লীবাসীর ব্যস্ততা।

    রাখাইন সমাজকল্যাণ সংস্থার সদস্য সচিব খে মংলা জানান, তালতলীর ১৩টি আদিবাসী পাড়ায় হাতে চালিত প্রায় ৩০০ তাঁত রয়েছে। এই তাঁতগুলো আদিবাসীদের ঐতিহ্যের ধারক। প্রায় ২০০ বছর ধরে তাঁত বুনে নিজেদের পরিধেয় কাপড়ের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত কাপড় বিক্রি করে রাখাইনরা বাড়তি আয় করে জীবিকা নির্বাহ করছে। রাখাইনদের মধ্যে এমন রীতি ছিল যে, কোনো রাখাইন মেয়ে হস্তচালিত তাঁত বুনতে না পারলে সেই মেয়ের বিয়েই হতো না। এখন নানা করণে সেই রীতির পরিবর্তন ঘটেছে। অনেক পরিবার যেমন এখান থেকে বিলুপ্ত হয়েছে, তেমনি তাঁতগুলোও অচল হয়ে পড়েছে।

    খে মংলা আরও জানান, প্রতিকূলতার মধ্যেও তালতলী থানার তালতলীপাড়া, ছাতনপাড়া, মনুখেপাড়া, আগাঠাকুরপাড়া, সওদাগরপাড়া, তালুকদারপাড়া, কবিরাজপাড়া, তাঁতিপাড়া, লাউপাড়া ও অঙ্কুজানপাড়ায় রাখাইনপল্লিগুলোতে প্রায় ৩০০ হস্তচালিত তাঁত রয়েছে। ইদানীং রাখাইনদের তাঁতের কাপড়ের জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। এতে তাঁতে আবার সুদিনের আভাস মিলেছে। তবে সুতার দুষ্প্রাপ্যতা ও মূল্য বৃদ্ধির কারণে তাঁতিরা তেমন লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না।

    তালতলীর আদিবাসী পল্লিগুলোতে গিয়ে দেখা গেল, তাঁতিদের কোলাহল আর কর্মব্যস্ততায় বোঝার উপায় নেই যে কদিন আগেও এসব পল্লির তাঁতগুলো নিষ্ক্রিয় পড়ে ছিল। ধুলাবালু আর মাকড়সার জঞ্জালে আচ্ছন্ন তাঁতঘরগুলো এখন পরিচ্ছন্ন, পরিপাটি। চলছে খটখট শব্দ করে।

    তাঁতের দুর্দশা আর সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে তালুকদারপাড়া রাখাইনপল্লির গৃহিণী মাচেজেন রাখাইন বলেন, ‘রাখাইন তাঁতিদের উত্পাদিত বস্ত্রের কদর দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের সর্বত্র থাকলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, বাজারজাতকরণে সমস্যা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারায় এখানে তাঁতির সংখ্যা কমেছে। সুতার মূল্য বৃদ্ধি আর পুঁজির অভাব আমাদের মেরুদণ্ড সোজা করতে দিচ্ছে না।’

    রাখাইনদের হস্তচালিত তাঁতে বোনা কাপড়ে বাহারি ও ঝলমলে রঙের ব্যবহার এবং লতাপাতা, ফুল, পাখি ও প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের অলংকরণ বৈচিত্র্য এনেছে এসব কাপড়ে। এ প্রসঙ্গে মাচেজেন বলেন, ‘রাখাইনরা ঐতিহ্যগতভাবেই সবকিছুতে রঙের জৌলুশ, প্রকৃতি ও জীবজন্তুর প্রতি বেশি সংবেদনশীল। পোশাকে ও সংস্কৃতিতে এটা বেশি পরিলক্ষিত হয়। এ জন্য তাঁতে বোনা কাপড়ে ছয় থেকে আট ধরনের রং আমরা ব্যবহার করি। এসব রং কৃত্রিম নয়, প্রকৃতি থেকে নেওয়া। যেমন সুতায় বিভিন্ন রং করতে আমরা শাল, বকুলসহ বিভিন্ন গাছের পাতা ও বাকল ব্যবহার করি। এতে রং খুব টেকসই হয়। পাশাপাশি বাজারের অন্য যেকোনো কাপড়ের তুলনায় আমাদের কাপড়ের রং থাকে আলাদা।’

    কুয়াকাটার পাইকারি কাপড় ব্যবসায়ী মংচান বলেন, ‘এখান থেকে কাপড় ও অন্যান্য পণ্য নিয়ে কুয়াকাটা, কক্সবাজারে পাঠাই। ঈদ সামনে রেখে কুয়াকাটা ও কক্সবাজারে এসব পণ্যের খুব চাহিদা এখন।’

    লোকসান গুনতে গুনতে রাখাইন তাঁতিরা একসময় ঋণে জর্জরিত হয়ে পুরোনো পেশা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁদের অনেকে আবার পুরোনো তাঁত সচল করেছেন। যাঁরা পোড় খেয়ে পূর্বপুরুষের এই পেশা ধরে রেখেছেন, তাঁরা আবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন।

    সৌজন্যে: প্রথম আলো, শুক্রবার, ০৩ সেপ্টম্বর ২০১০
    বিস্তারিত পড়ুন

    ছবি ব্লগ : দুই (রাখাইন বিয়ে)

    বৃহষ্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০০৯

    বাংলাদেশে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। তবে তিন পার্বত্য (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) জেলায় বসবাসরত রাখাইন জনসংখ্যাও খুব একটা নগণ্য নয়। বাংলাদেশে বসবাসরত রাখাইন সম্প্রদায়ের একশো শতাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। রাখাইনদের বিয়ে অনুষ্ঠান খুবই বর্ণাঢ্য হয়। আমার ছবি ব্লগের দ্বিতীয় পর্ব রাখাইন সম্প্রদায়ের বিয়ে নিয়ে।

    ০১। বন্ধু পরিবেষ্টিত বর

    ০২। বিয়ে লগ্নে বর-কনে

    ০৩। কনের শ্বশুর বাড়ি গমন

    ০৪। লগ্নে আশীর্বাদ

    ০৫। প্রথামাফিক বরযাত্রা

    ০৬। প্রথামাফিক পোশাকে কনে

    ০৭। নিকটাত্মীয় পরিবেষ্টিত বর-কনে

    ০৮। বান্ধবী পরিবেষ্টিত কনে

    ০৯। আত্মীয় পরিবেষ্টিত কনে

    ১০। প্রথামাফিক পোশাকে বর-কনে
    বিস্তারিত পড়ুন

    তালেবানি হুমকির কবলে পাকিস্তানের বৌদ্ধ ঐতিহ্য

    বৃহষ্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০০৯

    তালেবানি উত্থানের প্রেক্ষিতে বন্ধ হয়ে গেছে পাকিস্তানের বৌদ্ধ ঐতিহ্য সমৃদ্ধ সোয়াত জাদুঘর, পেশাওয়ারের জাদুঘরে বিদেশি পর্যটকরা যেতে পারছেন না। গান্ধার শিল্পকলার প্রাণকেন্দ্র তক্ষশিলাতেও নেই পর্যটকের ভিড়।

    খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে শুরু করে ২য় খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বৌদ্ধ জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পচর্চার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য সমৃদ্ধ তক্ষশিলা রাজধানী ইসলামাবাদের মাত্র ২০ কিলেমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। কিন্তু উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের লাগাতার তালেবানি সহিংসতায় তক্ষশিলাও এখন নিরাপদ নয়।

    প্রাচীন গান্ধার রাজত্বের অপর প্রত্নতীর্থ বর্তমান আফগানিস্তানের বামিয়ানে ২০০১ সালে যুগল বুদ্ধমূর্তি বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়ে তালেবান গোষ্ঠী বিশ্ববাসীকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। সে সময় থেকেই পাকিস্তানে উগ্রপন্থী এই ইসলামী জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান চলছে। বামিয়ানের মতো সেখানকার বৌদ্ধ প্রত্নসম্ভারও মৌলবাদীদের শ্যেনদৃষ্টির কবলে আছে।

    লিংকটি দেখুন
    বিস্তারিত পড়ুন

    সংরক্ষণাগার

    লিংক

    বাংলা দৈনিক

    বিএন হেডলাইনস
    সংবাদ শিরোনাম
    বাসস
    শীর্ষ নিউজ
    পিটিবি নিউজ
    সংবাদ প্রতিদিন
    বর্তমান
    বিডি নিউজ ২৪
    প্রথম আলো
    কালের কণ্ঠ
    সংবাদ
    ইত্তেফাক
    আমাদের প্রতিদিন
    বাংলাদেশ প্রতিদিন
    ভোরের ডাক
    সুপ্রভাত বাংলাদেশ
    খুলনা নিউজ
    ঝালকাঠি ওয়েব
    নোয়াখালী ওয়েভ
    রংপুর ডট কম
    ডেইলি রংপুর
    কক্সবাজার নিউজ
    আনন্দবাজার পত্রিকা
    দেশ টিভি
    বিবিসি
    ভিওএ
    ডয়চে ভেলে
    ইউকে বিডি নিউজ

    English Daily

    Daily Star
    New Age
    Bangladesh Sun
    Narinjara News
    Mizzima News

    বাংলা সাপ্তাহিক

    সাপ্তাহিক বুধবার
    সাপ্তাহিক কাগজ
    সাপ্তাহিক ২০০০
    নতুন দেশ

    বাংলা ব্লগ

    বিপ্রতীপ
    প্রথম আলো ব্লগ
    সামহয়্যারইন ব্লগ
    আমার ব্লগ
    টেকটিউনস
    স্বপ্নযাত্রা
    সচলায়তন
    মুক্তাঙ্গন
    মুক্তমনা
    মুক্তব্লগ
    শব্দনীড়
    আদিবাসীদের বাংলা ব্লগ
    চতুর্মাত্রিক
    সোনার বাংলাদেশ ব্লগ

    শিক্ষা বিভাগ

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফ্তর
    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফ্তর
    শিক্ষা মন্ত্রণালয়
    শিক্ষা বোর্ড ফলাফল
    এনসিটিবি
    শিক্ষক এমপিও

    বিশ্ববিদ্যালয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
    শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়

    বিবিধ

    উইকিপিডিয়া
    ৬৪ জেলা
    পিএসসি
    সরকারি ফরম
    র‌্যাব
    পঞ্জিকা ও অন্যান্য
    বাংলা গান
    গান নামানো
    ম্যাক্সিমাম ওয়েবসাইট
    বিডি লিংক পয়েন্ট
    একটি বাংলাদেশ
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড
    বিজয় পরিবর্তন
    ইউনিকোড পরিবর্তন